Friday, April 6, 2012

দ্বিতীয় বানী: অদ্যই তুমি পরমদেশে আমার সহিত উপস্থিত হইবে।(লূক ২৩:৪৩)

প্রভু যীশু খ্রীষ্ট ক্রুশের উপর তাঁর প্রথম বানীতে আমাদের জন্য ক্ষমার বানী ঘোষণা করেছেন। তিনি আমাদের জন্য ক্ষমা দান করলেন। কিন্তু তা গ্রহণ করার দায়িত্ব আমাদের্ আর তা করতে পারি কেবল মাত্র আমাদের পাপের জন্য অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে আসার মাধ্যমে। আর দ্বিতীয় বানীতে আমরা সেই কাজ দেখি। আমরা দেখি, যেদিন যীশুকে ক্রুশে দেওয়া হয়েছিল সেদিন কালভেরী পাহাড়ে তিনটি ক্রুশ ছিল। মাঝখানের ক্রুশটিতে যীশুকে ক্রুশে দেওয়া হয়েছিল এবং দুই পার্শ্বে দুইজন দস্যুকে ক্রুশে দেওয়া হয়েছিল। ঐ সময় ডাকাত, খুনী, দেশোদ্রোহীর মত জঘন্য অপরাধীদের ক্রুশে টাঙ্গিয়ে মৃত্যু কার্যকর করা হতো। কিন্তু প্রভু যীশু খ্রীষ্ট ছিলেন নিষ্পাপ নিস্কলঙ্ক্ তবু্ও তাঁর বিচার হলো জঘন্য অপরাধীর মত। তাঁকে পীলাতের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো, হেরোদের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো, তাঁকে অপমান করা হলো, চোখ বেঁধে তাঁর গালে চড় মারা হলো, বিষাক্ত চাবুক মেরে তাঁর দেহ ক্ষত বিক্ষত করে দেওয়া হলো। সর্বশেষ জঘন্য অপরাধীর মত মৃত্যুর জন্য ক্রুশে টাঙ্গানো হলো। ক্রুশে টাঙ্গিয়েই তারা ক্ষান্ত হলো না্। ক্রুশে টাঙ্গিয়েও তাঁকে বিদ্রুপ করা হলো, তাঁর ক্ষমতাকে চ্যালেন্জ করা হলো “তুমি যদি ঈশ্বরের পুত্র হও তবে ক্রুশ থেকে নামিয়া আইস।” তাঁর মৃত্যু দেখতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেক লোক এসেছিল। এসেছিল তারা্ও যারা তাঁর যারা তাঁর কথায় জীবন ফিরে পেয়েছিল, যারা হাঁটতে শিখেছিল, পেরেছিল পৃথিবীকে দেখতে। এসেছিল ফরীশী, অধ্যাপক, পন্ডিত ব্যক্তি। তাঁর শিষ্যগন লুকিয়ে দেখছিল। তারা জীবনের ভয়ে ভীত ছিল। এসেছিল জন্মদানকারিনী মা মরিয়ম।